কবর-কেয়ামত তো অনেক ভারী বিষয়
তুই তারচেয়ে খুশি হয়ে যা
তুই খুশি হয়ে থাক
তোর মত পাপীর কবরেও তিঁনি আসবেন
ব্যাস, আগে পরে আর কিছু কি তোর লাগবে, হাসিন?
I blog about everything I learn every day. For more about me: www.HasinArefinKhan.com. Have a beautiful day :)
কবর-কেয়ামত তো অনেক ভারী বিষয়
তুই তারচেয়ে খুশি হয়ে যা
তুই খুশি হয়ে থাক
তোর মত পাপীর কবরেও তিঁনি আসবেন
ব্যাস, আগে পরে আর কিছু কি তোর লাগবে, হাসিন?
কনভারসেশন শুরু করবে শেলডন,
শেলডন কুপারঃ "তোমরা বাকিরা কেউ তো হিউম্যান নলেজেরর কিছুই জানো না!! নিজের কাজ-টাজ করছো ভাল কথা, কিন্তু তোমাদের একসাথে কাজ করার জন্য লিডার দরকার, টেনশন করো না, আমি তোমাদের লিডার হবো। সবাই চুপ করে বসো, আমি এগ্রিমেন্ট পেপার বানায়ে আনছি।"
টনি স্টার্কঃ "ক্লিয়ারলি, এখানকার সবচেয়ে বড় গাধা টা হচ্ছো - তুমি। তুমি জানই না এই টীম চালাতে কত খরচ হবে, স্টার্ক ফাউন্ডেশনের নাম শুনেছো তোমরা? ..."
টনির এই ফুটানির আলাপ থামিয়ে দিয়ে জ্যাক স্প্যারো, বলবে, "তোমরা তোমাদের মত টাইম এঞ্জয় কর। আমার একটা কাজ মনে পরেছে... কাজের পর তোমাদের সাথে আবার দেখা হয়ে যাবে, savvy?" বলে সবার আগে রুম থেকে বের হয়ে যাবে জ্যাক স্প্যারো।
এটা শুনে হাউজ উঠে দাঁড়িয়ে কথা শুরু করতে যাবে তখনই রুমের সাইড থেকে শেরলক ভারি গলায় বলা শুরু করবে, "তোমাদেরকে এখানে কে ডেকেছে? লন্ডনের রাস্তা চিনো না তোমরা এসছো জিনিয়াস সাজতে?! মেমোরি ক্যাসল আছে তোমাদের কারো?"
কেউ কিছু বুঝার আগে শেলডন হাত তুলে লাফানো শুরু করবে। ওর চোখে মুখে উত্তেজনা, মুচকি মুচকি হাসি দিয়ে সবার দিকে তাকাতে থাকবে ও - লাইফে প্রথমবার নিজের লেভেলের মানুষদের কাছে পেয়েছে ও। শেলডনের মন অনেক ভাল আজকে।
টনিকে দেখেই বুঝা যাচ্ছে, এটা ডেভেলপ করতে কয়দিন লাগবে সেই হিসাব করা শুরু করেছে ও।
লাঠিয়ে ভর দিয়ে এতক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা হাউজ এবার কম্যান্ডিং সুরে বলা শুরু করবে-
হাউজ: "তোমাদের যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে আমার ওয়াইট বোর্ডের দিকে ঘুরে বসো। আজকে তোমাদের শিখাবো জিনিয়াসদের নিয়ে কিভাবে টীম বানাতে হয়। টনি, তুমি জ্যাক স্প্যারোর ইউরিন স্যাম্পল কালেক্ট করতে যাও, ওর কাছে চাইতে পারবা না - ওকে তোমরা চিনো না - বিরাট প্লটিবাজ। ওর বাসা খুঁজে বের কর। যাও, যাও, দেরী কর না, জলদি যাও। আর বাকিরা তোমরা কেউ কাডির দিকে তাকাবা না। আর শেলডন, তুমি আমার বোর্ডে হাত দিবা না মিয়া, নিজের চেয়ার নিয়ে খুশি থাকো।
এইভাবে কনভারসেশন চলতে থাকবে।
চ্যান্ডলার চেয়ারে হেলান দিয়ে অন্যদের কনভারসেশন শুনবে, কনভারসেশনের মাঝের নীরব টাইমগুলাতে এমন এমন লাইন বলবে যা শুনে বাকিদের অর্ধেকের চিন্তার ধারা ছুটে যাবে, আর বাকি অর্ধেক শুনে চোখ ছোট-ছোট করে জাস্ট লুক দিবে। চ্যান্ডলার এটাতে আর বেশী মজা পাবে, লাস্ট পার্সন ট্যু লিভ দ্যা রুম হবে চ্যান্ডলার।